কোভিডে মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাসে সামান্য আশার আলো টিসিবির পন্য

কোভিডে মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাসে সামান্য আশার আলো টিসিবির পন্য

দিনকাল বাংলাদেশ

যমুনা ওয়েব ডেস্কঃ  কোভিড-১৯ এ যখন মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাস তখন সামান্য আশার আলো দেখাচ্ছে টিসিবির পন্য। বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চল বিশেষ করে বাগেরহাট কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে পর্যুদস্ত। বাগেরহাটে করোনা পরিস্থিতিতে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও স্বল্পমূল্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পন্য কিনতে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের ভীড় দেখা গেছে।

গত ৫ জুলাই সোমবার বাগেরহাট শহরের রেলরোড জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে টিসিবির পন্যবাহী ট্রাকের ক্রেতাদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত। লকডাউনে কর্মহীণ ও আয় কমে যাওয়া মানুষরাই আসছেন স্বল্পমূল্যে টিসিবির পন্য ক্রয় করতে। টিসিবির পন্যের গাড়িতে দেখা যাচ্ছে ১০০ টাকা লিটারে সয়াবিন তেল, ৫৫ টাকা কেজিতে মুশুরি ডাল এবং ৫৫ টাকা কেজিতে চিনি দিচ্ছে বিক্রেতারা। প্রত্যেক ক্রেতা ২ লিটার তেল, ২ কেজি ডাল , ২ কেজি করে চিনি ক্রয় করতে পারবেন।

টিসিবির পন্য ক্রয় করতে আসা মধ্যবিত্তদের অনেকেই তার পরিচয় প্রকাশ করতে চান না। তাদের কথায় বোঝা যায় আর্থিক অবস্থা। তারা মনে করেন এভাবে সারা বছর টিসিবির পন্যের সরবরাহ থাকলে আমাদের মত গরীব মানুষের অনেক উপকার হয়। মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের যাদের আয়ে সংসার চলত দেখা যায় তার অনেকেই বেকার হয়ে রয়েছে। আর্থিকভাবে অনেক সংকটে পড়েছি। তাই বাধ্য হয়ে টিসিবির পন্য কিনতে আসলাম। সঠিক মাপ, ভালো মান ও বাজারের চেয়ে দাম কম হওয়ায় আমাদের সুবিধা হয়েছে।

বাগেরহাটে টিসিবি ডিলারের মাধ্যমে যানা জায় তারা খুলনা থেকে পন্য উত্তোলন করে বাগেরহাটে এনে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রয় করি। তবে লকডাউনের কারনে ক্রেতা অনেকে বেড়ে গেছে। টিসিবির ডিলার মনে করেন এই সরবরাহ বৃদ্ধি হলে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.