করোনার মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত যেখানে দাঁড়িয়ে !

করোনার মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত যেখানে দাঁড়িয়ে !

আন্তর্জাতিক দিনকাল বাংলাদেশ

যমুনা ওয়েব ডেস্কঃ ইদানিং ফেসবুক সহ সকল জায়গায় দেখা যায় স্বাস্থ্য বিভাগের দূর্নীতির কথা। মানুষ যখন যেটা সামনে পায় তাই নিয়েই দৌড়ায়। আমরা যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিন্তা করি আমাদের সকল বিভাগ সমান দূর্নীতিগ্রস্থ আবার সমান সৎ। কাজ করতে গিয়ে দেখা যায় প্রত্যেক বিভাগেই কিছু ভাল মানুষ আছে কিছু খারাপ মানুষ আছে। বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে গিয়ে যখন কারুর আত্মীয় মারা যায় সে চিৎকার করে। টেলিভিশনে সাক্ষাতকার দেয়। সেই ব্যক্তি যদি হন একজন উকিল। তিনি নিজে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন তিনি কোনদিন অসততা করেননি।

সততা বা অসততা এখন একটি সামগ্রীক বিষয়। এখান থেকে বাছতে গেলে কে বাদ পড়বে কে থাকবে জানা নেই। শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে ধরে আমরা এখন টানছি। অন্যান্য খাতের কথা বলছি না। এখন একটু নিজের দেশের থেকে বাইরের দেশের দিকে তাকাই। আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগ খারাপ বলেই তো আপনারা চিকিৎসার জন্য ভারতে যান তারা করোনায় বিধ্বস্ত হলো কেন? আমাদের থেকে হাজার গুন এগিয়ে আমেরিকা তাদের এত দুর্দশা হয়েছিল কেন?

বিশেষ কোন ব্যক্তি বা বিশেষ কোন দেশ নয় কোভিড একটি মহামারী। বিশ্বে যখনই এরকম মহামারী এসেছে সবই খাত ভেঙ্গে পড়েছে। সে অপেক্ষা আমাদের দেশ অনেকটাই ভাল। আজ দেড়টা বছর কখনো লকডাউন কখনো শাট ডাউন। আপনারা হিসাব করে দেখেন কতগুলো লোক না খেয়ে রয়েছে। এটা আমাদের সক্ষমতা বলেই হয়েছে। এখানে সরকারের ভূমিকা রয়েছে। জনগনের ভূমিকা রয়েছে। সক্ষমতা না থাকলে এই চাকরী হারান লোকগুলো কিভাবে আবার ঘুড়ে দাড়ানর স্বপ্ন দেখছে। একটি হাসপাতালে আমরা যখন দেখি একটি মাস্ক ৫ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা কেনা হয়েছে আমাদের মাথা ঘুরে যায়।

সেই আমি যখন সরকারের থেকে কোন কন্ট্রাটারি কাজ নিই আমি কি করি। আমাদের মনে রাখতে হবে আমি আপনি সবাই মিলে সরকার। একা স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিছু না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী একজন মাননীয় ব্যাক্তি সে অনেক উপরে বসে আছে। তার নিচেয় আমরা সবাই। আমরা যখন বিল্ডিং বানানোর সময় রডের পরিবর্তে বাশ দিই। সেই হাসপাতাল ভেঙ্গে পড়বে। আমরা যখন অক্সিজেন প্লান্ট না বসিয়ে দূর্নিতীর অংশ হয়ে বিল নিই,  তাহলে আমি হাসপাতালে গিয়ে অক্সিজেন পাব কি করে? মন্ত্রী মহোদয়েরা তো আর এসে নির্মান কাজ করেন না। বলবেন তারা ভাগ পায়। দিয়েন না। বলবেন কাজ পাবো না। সবাই মিলে না দিলে কেউ না কেউ পাবে। দেশের খারাপটা নিয়ে আমরা অনেক অনেক চিৎকার করি। দেশের ভালোটা তো বলতে দ্বিধাবোধ করি। দেশকে অন্যের কাছে হেয় না করে সমস্ত বিশ্বের কাছে ভাল ভাবে তুলে ধরি। 

লেখকঃ স্টাফ রিপোর্টার সুব্রত মুখার্জি

Leave a Reply

Your email address will not be published.