পরীমনিকে নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা (Discussion and criticism about the Porimoni)

দিনকাল বাংলাদেশ বিনোদন

বাংলাদেশের আলোচিত বিষয় পরীমনি ও পিয়াসা। প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের অনেক গোপন তথ্য জানেন এই অভিনেত্রীরা। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পড় এমনই তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

শোনা যাচ্ছে পরীমনি, পিয়াসার রাতের আসরে অতিথি হতে অনেক ক্ষমতাশালী ব্যক্তিবর্গ। তারা বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ফাদে ফেলে বাগিয়ে নিতেন বড় বড় কাজ। বেসরকারি দুটি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের তথ্য এরই মধ্যে বিভিন্ন মিডয়াতে দেখা যাচ্ছে।

ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকা লোন নিয়ে চোরাকারবারের কাজে সহায়তা করতেন বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এ ঘটনার সাথে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তিকে জিজ্ঞসাবাদ করছে। একই সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ম্যাসাজ ও বিউটি পার্লারের নামে অবৈধ কাজে জড়িত ১৭টি প্রতিষ্ঠান ও ১৩টি সিসা লাউঞ্জের তালিকা এখন গোয়েন্দাদের হাতে। যেকোনো সময় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে-এমন আতঙ্কে প্রতিষ্ঠানগুলোয় রীতিমতো সৃষ্টি হয়েছে সুনসান নীরবতা।

এই ঘটনায় বিভিন্ন সামাজিক ব্যক্তিত্ব ভিন্ন ভিন্ন চোখে দেখছেন। এরই মধ্যে প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব আব্দুল গফফার চৌধুরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি লেখা লেখেন। পরীমনি ঘটনায় যেভাবে সামাজিক মাধ্যম বা আলোচনা চলছে তা দেশের জন্য মঙ্গলদায়ক নয়।

দেশে এই মুহুর্তে চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত অনেকগুলো সংগঠন রয়েছে যার কেউই পরীমনির পাশে দাড়ায়নি। বরং ঢালিউড অভিনেত্রীর সদস্যপদ থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ মনে করছেন পরীমনি যে মানের শিল্পী বা যে মানের ব্যক্তি তাকে নিয়ে যা করা হচ্ছে তাতে তার পরিচিতি বাড়ছে। পরীমনি আইনগত ভাবে অন্যায়কারী হলেও সে এত বড় মানের কোন ব্যক্তিত্ব নয়।

এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় পরীমনি সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, ‘ওর মতো মহিলার সঙ্গে পর্দা ভাগ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না! নাচের একটি দৃশ্যে এক ফ্রেমে ছিলাম। এই পর্যন্ত!’ প্রসঙ্গত গত ২০১৬ সালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ওয়াজেদ আলি সুমনের পরিচালিত সিনেমা ‘রক্ত’ এ ভারতীয় অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের সাথে। নাচের একটি দৃশ্যে তাদের একসাথে দেখা গিয়েছিল।

গত মঙ্গলবার পরীমনিকে আদলতে হাজির করা হয়। এসময়ে ঢালিউ নায়িকার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। মঙ্গলবার আদালতে পুরো সময়টা তিনি নিশ্চুপ ছিলেন। এরই মধ্যে জানা যায় তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। একই পোশাকে তাকে ১২০ ঘন্টা রাখা হয়েছে।

আদালত থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে বলতে থাকেন, ‘সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনারা তদন্ত করেন, আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।  আপনারা সাংবাদিক কী করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.